পা’স করতে চাও? তাহলে অবসরে আ’মা’র বাসায় এসো।’ এভাবেই ছা’ত্র’দের নিজের বাড়িতে ডেকে নি’তেন এক স্কুল শি’ক্ষিকা। যে ছাত্র বা’সায় যেতে রাজি হন না, তাকে ফে’ল করিয়ে দিতেন তিনি। ঘ’টনাটি ঘটেছে ক’লম্বি’য়ায়।

খবর ডেইলি মেইল। ব্রি’টিশ সং’বাদমাধ্যম’টির প্র’তিবে’দনে বলা হয়, ওই শি’ক্ষিকা’র নাম ইওকাসতা। ব’য়স চ’ল্লিশেরও বেশি। ওই শি’ক্ষিকা শুধু পাস ক’রানোর জন্যই নয়, ভালো ফ’লাফ’লের লো’’ভ দেখিয়েও ছা’ত্র’দের বাড়িতে ডেকে নিতেন। রাজি না হলে ফে’ল করিয়ে দেয়ার ভ’য় দে’খাতেন তি’নি।

আরও পড়ুন : অ’ষ্টম শ্রেণির ছা’ত্র’কে নিয়ে পালি’য়েছে স্কু’লশিক্ষিকাঃ গত এক বছর ধরে চ’লছি’লো অ’ষ্টম শ্রেণির ছাত্র এবং এক শি’ক্ষিকার প্রে’’ম। এমনকি লু’কায়ি’তোও ছিলো না তাদের স’ম্পর্কে’র কথা। যে কারণে শি’ক্ষাঙ্গ’নে অ’সম ব’য়’সী এই প্রে’মে অ’স্ব’স্তিতে পড়ে’ছিলো স্কুল ক’র্তৃপ’ক্ষ।

২৬ বছর ব’য়’সী অনিতা নামের সেই শি’ক্ষি’কাকে ডেকে হুঁ’শিয়া’রিও দেয়া হয়েছিলো। কিন্তু কোনো নি’ষেধা’জ্ঞাই থামাতে পারেনি সেই প্রে’ম’কে। পরিবার এবং স্কুল ক’র্তৃপ’ক্ষের বা’ধা পেয়ে তাই ১৪ বছরের অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া ‘প্রে’মি’ক’কে স’ঙ্গে নিয়ে পা’লিয়ে’ছেন শি’ক্ষিকা অনিতা। ঘ’টনাটি ঘ’টেছে ভা’’র’তের গুজরাটের গা’ন্ধীনগরে।

এ ঘ’টনায় ওই স্কু’লশিক্ষি’কার বি”রু’দ্ধে গা’ন্ধীনগর থানায় এফ’আই’আর দা’য়ের ক’রেছেন নি’খোঁজ ছাত্রের বাবা। এফ’আইআ’রে জানিয়েছেন, তার ১৪ বছরের ছেলেকে ফুঁ’’সলি’য়ে নিয়ে গেছে ওই শি’ক্ষিকা। গত শুক্রবার বি’কেল ৪টা থেকে খোঁজ মি’ল’ছে না তার ছেলের।

এ বি’ষয়ে পু’’লি’শে’র এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বছর খা’নেক ধরেই নি’খোঁজ ওই ছা”ত্রে’র স’ঙ্গে একটু বেশিই ঘনিষ্ঠ ছিলেন অ’ভি’যুক্ত শিক্ষিকা। এ কারণে সম্প্রতি স্কুল কর্তৃপক্ষও তাদের ভ’র্ৎস’না করে। ছেলেটির বাবার অ’ভিযোগ, ‘এই সম্প’র্ক যেহেতু মেনে নেয়া হয়নি, তাই তারা বাড়ি ছেড়ে পা’লি’য়েছে’।

৫০ বছর ধরে বিয়ে পড়ান ভুয়া কাজি ! নিবন্ধ’ন না থাকার পরও বিয়ে পড়ানোর অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোহাম্ম’দ মোসাদ্দেক হোসেন (৬১) নামে এক ব্যক্তিকে সোমবার দুপুরে বিয়ের আসর থেকে আ’টক করা হয়েছে। পৌর এলাকার কাউতলীর একটি হোটেল থেকে কাজি সমিতির নেতারা তাঁকে আ’টক করে পু’লিশের হাতে তুলে দেয়।

আ’টক মোসাদ্দেক জে’লার নবীনগর উপজে’লায় শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের বানিয়াচং গ্রামের মৃ’ত শরীফ উদ্দিনের ছেলে। তাঁর কাছ থেকে একটি বিয়ে নিবন্ধ’ন বই ও দুটি তালাক নিবন্ধ’ন বই এবং সিলমোহর উ’দ্ধার করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জে’লা কাজি সমিতির সভাপতি ইয়াহিয়া মাসুদ জানান, মোসাদ্দেক স’রকারের নিবন্ধিত কোনো কাজি নন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজি পরিচয়ে বিয়ে পড়িয়ে আসছিলেন। তাজ হোটেলে একটি বিয়ে নিবন্ধ’ন করার সময় কাজি সমিতির নেতারা তাঁকে হাতেনাতে আ’টক করেন। এরপর তাঁকে জে’লা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি চ’ক্র ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধ’ন করে আসছে। মূ’লত নিবন্ধিত কাজিরা যেসব বিয়ের নিবন্ধ’ন কাজ প্রত্যাখ্যান করেন- ওই চ’ক্রটি সেসব বিয়ে নিবন্ধ’ন করে থাকে।

আ’টক মোসাদ্দেক জানান, তিনি ১৯৭১ সাল থেকে কাজির দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর কাগজপত্রের বৈধতা নিয়ে আ’দালতে মা’মলা আছে। মা’মলার একাধিক রায়ও তিনি পেয়েছেন।

জে’লা রেজিস্ট্রার স’রকার লুৎফুল কবির বলেন, আ’টক ব্যক্তি নিবন্ধিত কাজি নন। তাঁর বৈধতার পক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেননি তিনি। এ ছাড়া তাঁর কাছে পাওয়া নিবন্ধ’ন বইগুলোও নকল বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার পরিদর্শক (ত’দন্ত) মুহাম্ম’দ শাহজাহান জাহান, ওই ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ বি’ষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *